স্জি, সপ্তকাণ্ড রামায়ণ

অর্থাৎ আদি, অযোধ্যা, আরণ্য, কিক্ষি্ধ্যা, স্বন্দরা, লঙ্কা উত্তরা কা

ল্রুল্ভডিন্বাত্ন »বেি৬ভ হনক্ছাল্তভ্ভল্বয ক্কতুন্ষ

রচিত

রামানন্দ চট্রোপাধ্যায়-কর্তৃক সম্পাদিত প্রকাশিত

অইুম সংস্করণ

ল্বুভিলম্ষাঁভি

১২০২ আপার সারকুলার রোড, প্রবাসী-কার্্যালয়ে প্রাপ্তব্য সন ১৩৫৩ সাল

১২০২ আপার সারকুলার রোড, প্রবাসী প্রেস হইতে শ্রীনিবারণচন্দ্র দাস কর্তৃক মুদ্রিত |

বিষয়

আদিকাণ্ড

নারারণের চারি অংশে গ্রকাশশবিবরণ

বামনামে রত্বীকরের পাপক্ষয়

ব্রঙ্গাকতক রত্বাকরের বাল্মীকি নাম রামাদুণ রচনা-করণের বর দান

নারদকতৃক বাল্সীকিকে রামায়ণের আভা প্রকাশ

চন্্রবংশের উপাখ্যান

শুধ্যবংশের উপাখ্যান মান্ধাতার জন্ম

স্থধ্যবংশ নির্ববংশ এবং অযোধ্যায় হারীতের রাজা- হন বৃত্তান্ত "++

রাজা হরিশ্ন্দ্রের উপাখ্যান ***

সগরবংশ-উপাখ্যান

সগরের অশ্বমেধ যজ্ঞারগু বংশনাশেপ বিবরণ ***

কপিল ঝধিকতৃক সগরবংশ উদ্ধারের উপাসু কথন

গঙ্গার জন্ম-বিবরণ মত্ত্যলোকে সগরের গঙ্গা আনয়নের উপায় এবং ৬গীরথের জন্ম

৬গীরথের দ্েব-আরাধনাদ্বারা মর্ত্যে গঙ্গা

আনয়নের বৃত্তান্ত বং হরিদ্বার, পাতাল, ত্রিবেণী ইত্যাদিতে গঙ্গার ভ্রমণ রী

মহাদেবের গঙ্গার বেগ ধারণ

কাণ্ডার মুনির অস্থি গঙ্জাম় পতনে বৈকুঠে গমন**" সগরবংশ উদ্ধার

গঙ্গার মাহাত্ম্য বর্ণন

রাজ] সৌদাসের উপাখ্যান

দিলীপের;অশ্বমেধ যজ্ঞ-বিবর্ণ ৮** র্ঘুবাজার দানকী্ডি *৯*

সুচীপত্র

পৃষট।

১৪

১৫

১৮

বিষয়

অজ রাজার বিবাহ দশরথের জন্ম-বিবরণ

দখরথের রাজা হওন বিবরণ **,

রাজা দশরথের সহিত কৌশল্যার বিবাহ

দ্রশরথের সহিত ককেমীর.বিবাহ

রাজা দশরথের সহিত সুমিত্রার বিবাহ রাজার সর্ববদা অস্তঃপুরে থাকাতে রাজ্যে অনাবৃষ্টি নিবারণের জন্য ইন্জ্রের নিকট রণ যাচঞা ***

রাজা দশরথের পুনর্বার শনির নিকটে গমন শনিকতঁক গণেশের জন্মবৃত্তান্ত বর্ন

মুগজ্ঞানে রাজা দশরথকতুঁক অন্ধমুনির পুত্র সিন্ধুর বধ-বিবরণ

দশরথ রাজার প্রতি অন্ধকের শাপ-বিবরণ ***

সর অস্থর বধ

সম্বর সহ যুদ্ধে অঙ্গ ক্ষত হওয়ায় কৈকেমী আরোগ্য করাতে রাজার বর দিবার অঙ্গীকার

কৈকেয়ী দশরথের ব্রণ আরোগ্য করিলে পুনর্ববার বর-প্রাপ্তির বিবরণ

দশরথের পুত্রের জন্য ঝষ্যশ্্কে আনিয়া যজ্জ- করণের চিন্তা উক্ত মুনির কাহিনী ***

লোমপাদ-রাজ্যে অনাবৃষ্টি নিবারণার্থ ঝধ্যশৃঙ্গকে আনয়ন

খযাশৃঙ্গের লোমপাদ-রাজ্যে গমন অনাবৃষ্ি নিবারণ

ঝষ্যশৃঙ্গের অদর্শনে বিভাওক মুনির খেদ ৮৯৯

দশরথ বাজার যজ্ঞ ভগবানের চারি অংশে জন্ম গ্রহণ

জনক খধির চাষে লক্ষ্মীর জন্ম *,

দশরথের যজ্ঞ সাঙ্গ যজ্ঞের চর তিন রাণীতে ভক্ষণ এবং তিনের গর্ভে নারায়ণের চারি

শে জন্ুবৃত্তাস্ত

পৃ

৩০ ৩২ ৩৩ ৩৩ ৩৩) ৩৮ 68০ ৪১ 8৪8 ৪৫ ৪৬ 6৬

৪৭

8৭

৫১

৫৫

৫৫

বিষয়

শ্ররামের জন্মবিবরণ

তরত, লক্ষ্মণ শক্রপ্রের জন্ম এবং দ্েবগণের আনম্ণ

শ্রীবাষের জন্মে রাবণের বিপদ অন্ভব ত্লি- বারণের উপায় করণ

বানরগণের জন্মবিবরণ

দশরথের চারি পুত্রের অন্্প্রাশন

শ্ররামলম্ষ্রণাদির বাল্যক্রীড়া

শ্রীরামের শাস্্ অক্্রবিছ্য। শিক্ষা ***

সীতার বিবাহ-পণ জন্য হরধন্থ দেওন বিবর্ণ

জনক রাজার ধনু্ভঙ্গ পণ

সকল রাজা রাবণ ধন্থু তুলিতে অপারগ হইয়া পলায়ন করণ-বিবর্ণ

শীরামের গঙ্গান্নান গুহকের মুক্তি এবং উভগ্মে মিতালী ভরদ্বাজ মুনির গৃহে রামের ধনুর্ববাণ প্রাপ্ত-হওন-বিবরণ

রাক্ষসের দৌরাত্ম্য মুণিদের যন্জ পূর্ণ না হওয়াতে তাহ নিবারণের উপায় ***

শ্রীরামকে বাক্ষদ সহ যুদ্ধে প্রেরণে দশরথের অন্বীকার

রাজা দশরথ বিশ্বামিত্র মুনিকে প্রতারণ| করিয়। ভরত শক্রত্নকে পাঠাইয়! দেন বিশ্বামিত্রের কোপ তৎপরে রামের গমন স্বীকার

মিথিলায় যজ্ঞ বক্ষার্থে শ্রীরাম-লক্ষ্মণের গমন মন্ত্রদীক্ষা |

শ্রীরামকতক তাঁড়ক1 বব অহল্যার উদ্ধার

শ্ররামকতৃক তিনকোটি রাক্ষপ বধ মুনি- গণের যজ্ঞ সমাধান এবং হরধনু ভাঙ্গিবার জন্য শীরামচন্দ্রের মিথিলায় গমন

সীতাদেবীধ দেবগণের নিকটে বর প্রার্থন।

শ্ররামকতৃক হরধন্ঠু ভঙ্গ শ্রীরাম লক্ষ্মণ ভরত শত্রঘ্মের বিবাহ পরশুরামের শর শ্রীরামের প্রাপ্ত হওন বিববণ

রামায়ণ

)া

৫৬ ৫৭ ৫৮ ৬০ ৬১ ৬৯ ৬১

৩৪

৬৫

৬৭

৬৯

৭৩5

9০

৭৯

7৩

৭৭

৭9)

৭৯

অবিষয় অযোধ্যাকাণ্

জরামচন্দ্রের রাজ] হইবার প্রস্তাব ** রামচন্দ্রের রাজ্যাভিষেকের উদ্যোগ অধিবান '*

শ্রীরামচন্ত্রের রাজা প্রাঞ্িতে নকলের আনন্দ

ভরতকে রাজা করিয়া বামকে বনে পাঠাইতে কুঁঙগী টককেম়ীকে মন্ত্রণা দেয়

ভরুতকে রাজ্য দিতে বামচন্দ্রকে বনবাসে পাঠাইতে দশবুথের নিকটে কৈকেমীর প্রার্থনা

ভর্তকে রাজা করিয়া রামকে বনে পাঠাইতে কুক্তীর মন্ত্রণ!

বিমাতার নিকট পিতৃসত্যপালনার্থ শ্ীরামচন্ত্রের বনে গমনোগ্যোগ

শীরামচন্ত্র সীতাদেবী এবং লক্ণের বন-গমন ***

শ্রবামচন্দ্রের সহিত গুহকেরু সনশন ৮০,

দশরুথ রাজার মুত্যু

ভরতের পিতৃশ্রাদ্ধকরণানন্কর রামকে বন হইতে গৃহে আনিবার জন্য গমন এবং অযোধ্যা পুনরাগমন ***

আরণ্যকাণ্ড চিত্রকূট পর্বতে শ্রীরাম সীতা এবং লক্ষণের স্থিতি বাক্ষসের উৎপাত জন্য তথা হইতে মুনি- গণের প্রস্থান রঃ অন্রি মুনির আশ্রমে শ্রীরামের গমন উক্ত মুণি-

পত্বীর নিকট সীতার জন্মাদি কথন এবং রামচন্ত্র-

কতক বিরাধধ বধ টি শরভঙ্গ মুনির আশ্রমে রামচন্দ্রের গমন মুনি কতৃক ইন্দ্রের ধন্তর্বাণ দান এবং মুনির স্বর্গে

গমল দ্খ বৎসরকাল শ্রীরামচন্দ্রের নানা বনে ভ্রমণানস্তর

পঞ্চবটা বনে তাহার অবস্থিতি লক্ষ্ণকত্ক

স্্পণথার নাসিকাচ্ছেদ্দন এবং রামচন্দ্রকতৃক

চতুর্দশ রাক্ষস বধ রর খর-দৃষণের যুদ্ধে আগমন শ্রীরামের সহ যুদ্ধে দূষণ খবরের মতা ***

পৃষ্ঠা ৯১

৭৯৪

৯৫

৯৫

১৬৮ ১১৩) ১১৫

৯৯৭

১৩২

১৩৩

১৩৩

১৩৭ ১৪২ ১৪৩

বিষয় সীতা হরণ করিতে রাঁবণকে মারীচের নিষেধ রাবণকে মারীচের স্ুমন্ত্রণা প্রদান মারীচের মৃগরূপ ধারণ *** মাদ্সামগধারী মাঁবীচ বধ -০*

রাবণকর্তৃক সীতা-হরণ

শ্রীরামচন্দ্রের বিলাপ সীভার অন্বেষণ

জটাযুর উদ্ধার *** কবদ্ধ এবং শবরীর ন্বর্গে গমন

কি্িন্ধ্যাকাণ্ড

্রীরাম-লক্ষমণের দণ্ডকে ভ্রমণ তাহাদিগকে দেখিয়! হগ্রীব গ্রভৃতি বানরের পরস্পর তক-বিতক ***

নুগ্রীবের সহিত শ্রীরামের মিত্রতাবন্ধন সু গ্রীবের প্রাপ্ত সীতার ভূষণ শ্রীরামকে প্রত্যর্পণ

স্থগ্রীবের শীতী উদ্ধারে অঙ্গীকার

বালিকে মারিয়া স্থগ্রীবকে বাজ্যদানে শ্রীরামের অঙ্গীকার

বাশির সহ যুদ্ধে সুগ্রীবের পরী

বালিৰধ

বালিকর্তৃক শ্রারামের উত্সন।

বালির বিনয়

বালির সং্কাষা

সুগ্রীবের বাজ্যপ্রাপ্ধি

সীতার শোকে রামের অনুতাপ পু

সীতার উদ্ধারের জন্ত স্ুগ্রীবের প্রতি তাড়না

সথগ্রীবের সহিত লক্ষণের কথোপকথন

স্থগ্রীবের কটক সঞ্চয় **

সীত৷ অন্বেষণে চতুদ্দিকে বানর প্রেরণ

পশ্চিম দিকে সীতা-অন্বেষণে বানরগণের প্রেরণ ***

উত্তর দিকে সীতা-অন্বেষণে বানরগণের প্রেরণ ***

পূর্ব-উত্তর-পশ্চিম দিকে সীতার উদ্দেশ ন! হওয়ার বার্তা |

শ্রীরামের গুণ কথন ০০

স্চীপত্র

১৬৩

১৯২

১৯৩

১৯৭ ১৯৭

খিষয় দক্ষিণ পাতাঙ্গে সীতার অদ্বেষণে বিফলতার বিবরণ সীতা-অন্বেষণা্থ অঙ্গদ-হছমানাদির মন্ত্রণ। ৪০

ইন্থমানকতৃক শ্রীরামের বার্তা কথন, শ্রীরামের বৃত্তান্ত কথনে সম্পাতির্‌ পক্ষলাভ। সম্পাতি- কতৃক অশোকবনে সীতার উদ্দেশ কথন বানরদিগের সাগর পার হইবার মন্ত্রণ

সুন্দরাকাণ্ড

বানরগণের সাগর পার হওনের কথোপকথন «

জানুবানকত্ৃক হগমানের জন্বৃত্তাস্ত কথন

হন্চমানের পাগর-লজ্বনোদ্যোগ

হনুমানের লঙ্কায় যাত্রা মালঝাপ *০০

স্বরসা সাপিনীকতৃক হনুমানের পথ রুদ্ধ

হনুমানের লঞ্চায় প্রবেশ উগ্রচগ্ডার সহিত হহ্ু- মানের সাক্ষাৎ এবং উগ্র5গ্ার লঙ্কা ত্যাগ করিয়া কৈলাসে গমন

হনুমানকরতৃ'ক সীতার অন্বেষণ

অশোকবনে সীতাদেবীর নিকটে রাবণের গমন

ত্রিজটান ছুস্বপ্ন দর্শন শীতাদেবীর সহিত হন্থমানের কথোপকথন ৮**

হনুমান রাবণের নিকটে পরিচয় দেয় বিভীষণ রাবণকে হিত বুঝায়

হন্থুমানকত্ুক লঙ্কাদগ্ধ ***

হন্থমানের সীতার নিকটে পুনরাগমন

শ্রীরামের নিকট হনুমানের পুনর্বার আগমন

সীতার উদ্দেশ হওয়াতে বানরগথের আনন্দ শ্রারামের সহিত সমুদ্্রতীরে বাস |

বিভীষণের কৈলাসে গমন ***

বিভীষণ সহিত রামচন্দ্রের মিত্রতা।

নলকততৃক সাগরবন্ধন

নলের উপর হন্থমানের ক্রোধ শ্রারামকতৃক সাস্তবন বানর সহ শ্রীরামের লঙ্কায় প্রবেশ ***

গ্রন্থকারের গ্রার্থন।

পৃষ্ঠা ১৯৮

২০২

১৩৪

/্ বে রে

২৩৮ ২৩৯

৪০

৪৪ ৪৮ ২৫৫

17৬

বিষয়

লঙ্কাকাণ্ড

শুক-সারণকর্তৃক সৈন্যাদি দর্শন রাবণের নিকট তাহার বার্তা কথন

শুক সারণের কটক চচ্চিঘ্না গমন

শুক সারণ কতৃক শ্রীরামের প্রশংসা কটকেক় কথা

শুক-সারণের প্রতি রাবণের কোপ

কটক চচ্চিতে শার্দ'লের গমন

শ্রীরামের মাহাত্থ্-বর্ণন

মায়ামুণড দর্শন

মায়ামুণ্ড দশনে সীতার বিলাপ

নিকষাকতৃঁক বাবণের প্রতি উপদেশ

বানরকর্তৃক লঙ্কার ঘার রক্ষাকরণের নিয়

দেবগণের আগমন হরপার্ববতীর কোন্দল

অঙ্গদ রায়বার

রাবণের মুকুট লইয়া শ্রীরামচন্ত্রের নিকট অঙদের গমন

শ্ররামের সহিত অঙ্জদের কথো পকথন

ইন্জরজিতের যুদ্ধে শ্রীরাম-লক্ষ্মণের নাগপাশে বন্ধন **"

শ্রীরাম-লক্ষমণের নাগপাশ হইতে মুক্তি

ধূমাক্ষের যুখী পতন

অকম্পনের যুদ্ধ পতন

বজদংষ্টের যুদ্ধ পতন **

প্রহত্তের যুদ্ধ পতন

রাবণের প্রথম যুদ্ধে গমন

রাবণের গ্রথম দিবস যুদ্ধ

কুম্তকর্ণের নিদ্রাভঙ্গ রাবণের সহিত কথোপকথন

কুস্তকর্ণের যুদ্ধ মৃত্যু

কুম্তকর্ণের মৃত্যু শ্রবণে বাবণের বোল

ভ্রিশিরা দেবাস্তক নবাস্তক মহোদর মহাপাশের যুদ্ধ মৃত্যু

অ'তকায়ের যুদ্ধারস্ত বা

অতিকায়ের যুদ্ধ মৃত্যু

পা

৬০

২৬১

২৬২ ২৬৪ ২৬৪ ২৬৫ ২৬৬ ২৬৮ ২৬৯ ২৭০

২৭২

২৮১ ২৮২ ২৮৩ ২৮৮ ২৯২ ২৯৩ ২৯৪

২৯৭

৩৯৭ ৩২৯

৩২২

রামায়ণ

« বিষয়

অতিকায়াদি চারি পুত্রের মৃত্যু শুনিয়া রাবণের রোদন *,

রাবণের নিকট ইন্দ্রজিতের দ্বিতীয় বার যুদ্ধে যাইবার অন্কমতি গ্রহণ

ইন্রজিতের দ্বিতীয় বার যুদ্ধে গমনোদ্যোগ

ইন্দ্রজিতের দ্বিতীয়বার যুদ্ধে গমন

উধ্ধ আনিতে হন্তমানের যান

হম্ুমানকতঁক ওধধ আনয়ন শ্রীন্বাম জক্ষ্মণ এবং বানরগণের প্রাণদান

লঙ্কার দ্বার রুদ্ধ দেখি শ্রু£ামের মন্ত্রণ। লঙ্কা] দগ্ধ করিতে অন্কমত্তি

কুষ্ত নিকুস্তা্দির যুদ্ধ পতন

মকরাক্ষের যুদ্ধ পতন **

তবরণীসেনের যুদ্ধ পতন

বী্রবান, ধুম্নাক্ষ এবং ভম্মলোচনের যুদ্ধে গমন পত্তন

ইন্দ্রজিতের তৃতীয় বার যুছ্ছে গমন মায়াসীতা বধ এবং ইন্দ্রজিতের পতন

ইন্দ্রজেতের মরণে দেবগণাদিব আনন্দ

ইন্্রজিতের মৃত্যু শুনিয়া শ্রীরীমচন্ত্রের আনন্দ ***

ইন্্রজিতের যুদ্ধে শ্রলস্্রণের অঙ্গ ক্ষত হওয়াতে সুষেণকত্ৃক ওষধ প্রদান

ইন জীজিতের মৃত্যু শ্রবণে রাবণ মন্দোদরীর বিলাপ

রাবণের যুদ্ধে গমন লক্ষণের শক্তিশেল

হন্গমানের গন্ধমাদন পর্বতে ওষধধ আনিতে গমন --.

সু্যদেবের মুক্তি টা

মহীরাবণের পালা

মহীরাবণের মায়াধুদ্ধ বারা শ্রারাম-লঙ্ষ্রণকে হরণ :**

শ্রীরাম-লক্ষ্মণের অস্বেষণে হনুমানের পাতালপুরে গমন রঃ

মহীরাবণ বধ

অহীবাবণ বধ

রাবণের তৃতীয় দিবস যুদ্ধে গমন ০০

শ্রীবামের সহিত রাবণের যুদ্ধ

৩২৪

৩২৫

৬৩২৬

৩২৮

৩৩৩

৩৩৪

৩৬৩৫

৩৩৭

৩৪৬

৩৫৪

৩৬৩

৩৭৬

৩৭৩

৪১১

বিষয় রাবণকর্তৃক অগ্বিকার স্মরণ ( মতান্তরে ) রাবণের স্তবে অভয়! সন্ত হইয়া অভয় দান রাবণ-বধের নিমিত্ত ব্রদ্ধা কর্তৃক বোধন ষষ্ট্যা্ি

কল্লারস্ত *** *** '** শ্ীরামচন্দ্রের দুর্গোৎসব নবমী পূজা

নীলপন্ম আনয়নের মন্ত্র শ্রীরা মচন্ত্রকর্তৃক দেবীকে শ্তব দেবীকৃক এক পদ্ম হরণ পুনর্বার শ্রীরামচন্দ্রক্তৃক কাঁপিকার প্রতি স্ততি দেবীর গ্রতি শ্রুরামের স্ততিবাক্য শ্রীরামের দেবীর প্রতি নিবেধন শ্রীরাঘের দেবীর নিকট বর যা৮২ঞ| রাবণ-বধের জন্য শ্রীরামের প্রতি দেবীর আদেশ রাবণের ভগবতী ত্যাগ নিখিত্ত হস্তমানকতক চণ্ডী অশ্তুদ্ধ রাবণ-বধ বিভীষণের রোদন মন্দোদরীর বোন বিভীষণের আঁভিষেক সীতাঁর পরীক্ষা শ্রীরামচন্দ্রের দেশে গমন শিবপূজার পরে শ্রীরামের ভরঘাদ্র-আশ্রমে আগমণ কৈকেয়ীর সহিত শ্রারামের কথা ক্রীরামচন্দ্রের রাজ্যাভিষেক প্রীরাম রাঙ্গা হইলে কল্যাণার্থ দেবকন্যাদ্র আগমন হজুমানেন বক্ষঃস্থল বিদীর্ণ অস্থি-মধ্যে লিখিত রামনাম দর্শন হনুমানের অন্ন ভোজন বিভীষণাির ন্বদেশ গমন

স্থচীপত্র 1১/

পৃষ্ঠা ৪১৭

৪১৮

৪১৭৯ ৪২৩০ 9২০

9২৯

৪২২ ৪২৩ ৪২৪ ৪৭৫

৪২৫

৪২৬ ৪২৩৬

৪৩৩

৪৩৪ ৪৩৭ ৪৪৭ ৪৪৮ ৪৫৬ 3৫৭

৪৩০

৪8৭১

8৬৩২

বিষয় পৃষ্ঠা উত্তরাকাণ্ড

রামচন্দ্রের বর্ণনা ৪৬৪ লক্ষ্মণকততৃক চতুদ্িশ বৎসরের ফুল আনয়ন

রাক্ষদদিগের উৎপত্তি-বর্ণন, ১৮ ৪৬৫ গজকচ্ছপের বৃত্তান্ত গ্রুড়-পবনের যুদ্ধ 5৪৪:৪৭০ কুবের, রাবণ তদ্‌ভ্রাভার্দির বিবরণ *** ৪৭৫ রাবণের সহিত কুবেরের যুদ্ধ ০৭৪৮৪ বেদবতীর উপাখ্যান **ত:৪৮৫ মরুত্র-ষজ্ঞ-বৃত্তান্ত ,,* ৪৮৬ রাবণের অনরণ্য রাজার সহিত যুদ্ধ "৪৮৭ কার্তবীধ্যাজ্জুনের সহিত বাবণের যুদ্ধ ০৪৮৯ কার্ভবীর্যযাজ্কুনের কারাগার হইতে রাবণের মুক্তি *** ৪৯২ বালি-বাবণের যুদ্ধ -:৪৯৩ যম-রাবণের যুদ্ধ ***:৪৯৫ রাবণের পাতালপুবী জিনিতে গমন বলি

প্রভৃতির সহিত যুদ্ধ »** ৫০১ রাবণের সহিত মান্ধাতার যুদ্ধ *** ৫০৫ রাবণের চন্দ্র জিনিতে চন্দ্রলোকে গমন ১৮ ৫৯৬ বাবণের কুশম্বীপে গমন মহাপুরুষের সহিত যুদ্ধ *** ৫০৭ সু্পণখার ধৈধব্যের বিবর্ণ *** ৫০৮ রাবণের স্বর্গ জিনিতে গমন ১৯০ ৫০৯ ্রক্মাকতঁক রম্যবন গঠন তন্মধ্যে শ্রারাম-সীতার

বাস “৭০৫২৩ সীতার বনবাস ৫২৩ সোনার শীতা শিশ্মাণ ০৯০ ৫২৭ কুকুর সম্ন্যাসীর কথা "৫২৯ লবণ বধ **০ ৫৩৫ বিপ্রপুত্রের অকালমৃত্যু শূত্র তপস্বীর মস্তক ছেদন ৫৩৭ গৃধিনী পেচকের ছবন্দ-বৃত্বাস্ত ৫৩৯ শ্রীরামের অগস্ত্যমুনির বাটাতে আগমন **. ৫৪5 বৃত্রান্থর বধ ইন্দ্রের অশ্বমেধ য্ ১১, ৫৪৩ অনমেধ যার ৪৪১ ৫৪৫

ধব-হুশের সহিত ধুদ্ধে শত ভরত লগ্গাণের গত 88 688

|

বিষয়

লব কুশের সহিত শ্রীরামের যুদ্ধ

রামের বিলাপ

লব কুশের যুদ্ধে শ্রীরামচন্দ্রের পরাজয় মৃচ্ছ?

বাল্ীকির দহিত লব-কুশের শ্রীরামের নিকট গমন লব-কুশকতঁক রামায়ণ গান

সীতাদ্দেবীর পাতালে প্রবেশ

লব-কুশের রোদন

রামায়ণ

পুষ্ট

৫৬৮ ৫৭০

৫৭৩

বিষয়

শ্রীরামের খে ৮০০

কেকয় দেশে ভরতকর্তৃক তিন কোটি গন্ধরর্ব বধ শ্ররামা্দির আট পুত্রের রাঁজা হওয়ার বিবরণ

অধোধ্যায় কালপুরুষের আগমন লক্ষণ-বর্জন '**

শ্রীরাম ভরত শত্রত্ষের ব্বর্গারোহণ কৃত্তিবাসের আত্মবিবরণ পরিশিষ্ট-চিআ্রপরিচয়

পৃষ্টা

৫৭৬

৫৭৮ ৫৮২ €৮৩

৫৮৩

১। খ। ৩। ৫। ৬। মী ৮।

গে চিত

১১।

১২ ১৩.| ১৪ | ১৫। ১৬। ৬৭। ১৮ |

৯৯ |

২৯। ২২।

২৩। 9 খ্৫। | ২৭।

চিত্রসূচী

ছবির নাম শিল্পীর নাম

নারায়ণের চারি অংশে প্রকাশ-_মহাদেব বিখনাথ ধুরন্ধর দেবধি নারদ--উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ,** রাজা রুল্মাঙ্গদের একাদশী--বাজা রৰি বন্মা *** কপিলমুনি--লিংহল প্রাচীন প্রত্তরমৃদধি | ৮৯, গঙ্গাবতরণ--রবি বর্ম **' নারদের পারিজাতমালা-স্পশে ইন্দুমতীর নি বা ** অন্ধ মুনির পুত্র সিন্ধুর পিতৃমাতৃভক্তি--শৈজেন্দ্রনাথ দে

দশরথের ক্রোড়ে রামচন্দ্র নন্দলাল বন্ধ

কৌশল্যার ক্রোড়ে রামচন্দ্র--নন্দলাল বন্ধ

দশরথের নিকট বিশ্বামিত্রের রামলক্্ণ প্রার্থনা-_মহাঁদেব বিশ্বনাথ ধুরদ্ধর অহল্যা--নন্দলাল বন্ধ রঃ রি অহন্যা-_রবি বর্ম!

রামচন্ত্রকতৃক হরধনতঙগ--রাব বর্শ।

পরশগুর়াম_-উপেন্দ্রকিশোর রাঘুচৌধুরী

হরধনু ভঙ্গের পর শ্রীরাম্চন্দ্রকে সীতার মাল্যদান-_নন্দলাল বস্ক ++ বিশ্বামিত্র সহ বামলক্্মণের তাড়কা-বধে যাতা--নন্দলাল বন্থ

কৈকেয়ী-নন্দলাল বন্ধ টি কৈবেয়ী-মস্থরা-সংবাদ--উপেন্্রকিশোর বায়চৌধুবী

কৈবেম়ী, দশরথ কৌশল্য--উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

চগ্তালরাঁজ গুহকের আমন্ত্রণে সীতা, রাম লক্ষণের গঙ্গা-উত্তরণ-*মহাদেব বিশ্বনাথ ধুরব্ধর '**

রাজ] দশরথের অস্তিমশয্য1--নদলাল বন্ধ

চিআকৃট পর্বতে রামের সহিত ভরতের সাক্ষাৎকার--কাগঈীনরেশের সম্পত্তি গা তুলসীককত রামায়ণ হইতে **

ভরতের ভ্রাতৃভক্তি--নন্দলাল.বন্থ

বনবাসে রাম, সীতা লক্ষণ--প্রাচীন চিন্বকর

পঞ্চবটাতে সীতা, রাম লক্ণ--নন্দলাল বন্থ

হুর্ণখার নাক-কাঁন কাটা--উপেন্জকিশোর রায়চৌধুরী

সীতা স্বপম্গ--়বি বর্মা

ৃষ্ঠাস্ক

১২৮ ১৩০ ১৩৭ ১৪৩ ১৪৩, ১৪৬

৩৫ | উড ৩৭। ৩৮। ৩৯ | ৪* | ৪১। ৪২ ৪৩ |

৪৮

৪৪ |

রামায়ণ

ছবির নাম শিল্পী নাম

সীতার বাধণকে ভিক্ষাদান--মাদেব বিশ্বনাথ ধুরদ্ধর ++ মায়ামূগ বধ মীতাছরণ--লম্দলাল বস্থ

রাবণের সহিত জটাযুর যুদছ-- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী রাবণকর্তৃক জটাযুর পক্ষচ্ছেদ্নবি বর্ম?

শবরীর প্রতীক্ষা (যৌবনে )_নন্দলাগ বস্থ

শবরীর প্রতীক্ষা ( প্রো বয়সে )-__নদ্দলাল বনু

শবরীর প্রতীক্ষা! (বার্ধক্য )--ন্দলাল বস্থ

বালি স্বগ্রীবের যুদ্ধ--টপেন্কিশোর রায়চৌধুয়ী

অশোক তরুতলে সীভা--ন্বি বর্ধা

তস্কায় বদ্দিনী সীতা--উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

বন্দিনী সীতা--অবনীন্ত্রনাথ ঠাকুর

বিরহ্ণী সীত'--মসিতকুমার হালদার

রাক্ষদগণকর্তৃক হগমানের বন্ধন-_উপেন্্রকিশোর রাঘচৌধুরী পক্ষিরাজ সম্পাতি বানরগণ__-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী রামচন্ত্রের সমু্রশাপন-সবি বন্ধ

বানরগণকর্তৃক সমুদ্রবদ্ধন-_-উপেক্্রকিশোর রায়চৌধুরী

অঙদ রায়বার-্কাশীনরেশের সম্পত্তি একখানি পুরাতন তুলসীকত রামাঘূণ হইতে কুস্তকর্ণের যুদ্--উপেন্দ্রকিশোর রামচৌধুরী

লক্ষণের শক্তিশেলে পতন--স্থরেন্্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়

হন্গমানের গন্ধমান পর্বত আনয়ন--উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী রাধণকর্তৃক কৈলাস পর্বত উত্তোলনে চেষ্টা--গ্রাচীন কাঙ্গড়া চিত্র লীতার পাতালপ্রবেশশরবি বন্ধা

১৫১ ১৫২ ১৫৪ ১৫৩৬ ১৬২ ১৬২ ১৬২ ১৭২

২০

২২৬ ২৮ ৩৮ ২৪৪ ২৪৫ ২৫৬ ২৭৩ ৬১৫ ৩৮৪ ৩৮৮ ৫১৬

৫৭৭

2

রারানিজিগি এ]

১)

1750

(8১1

[1 রা 1 রি 0 7৮৪৮, ন্‌

5 পর 1... ০০4৯ঞ লবন ীশিশির দাগ

নারায়ণের চারি অংশে প্রকাশ মহাদেব বিশ্বনাথ ধুরদ্ধর মহাশয়ের অন্মতি-অন্থসারে

সপ্তকাণ্ড রামায়ণ

যর (টে. গু

বামং লম্ষ্রণপূর্বজং বঘুবরং সীতাপতিং স্ম্মরম্‌ কাকুৎস্থং করুণাময়ং গুণনি ধিং বিপ্রপ্রিক্ং ধার্মিকম্‌ রাজেন্দ্রং সত্যসন্ং দশরথতনয়ং শ্যামলং শাস্তমুর্তিম্‌। বন্দে লোকাভিবামং বঘুকুলতিলকং বাঘবং রাবণারিম্‌॥

বাষায় রামচক্দ্রামস রামভদ্রায় বেধসে। রঘুনাথায় নাথায় সীতাম়্াঃ পতয়ে নমঃ

আছিল্কাতঠড

নারায়ণের চাবি অংশে প্রকাশ-বিবরণ

গোলোক বৈকু্-পুরী সবার উপর লক্ষমীসহ তথায় আছেন গদাধর তথায় অদ্ভুত বৃক্ষ দেখিতে নুচারু। যাহা চাই তাহ পাই নাম কল্পতরঃ দিবা-নি(ি সদ। চন্দ্র-সুধ্যের প্রকাশ তার তলে আছে দিব্য বিচিত্র আবাস নেতপাট সিংহাসন উপরেতে তুলি বীরাসনে বসিয়া আছেন বনমালী মনে মনে প্রভুর হইল অভিলাষ

এক অংশ চারি অংশে হইতে প্রকাশ শ্রীরাম ভরত আর শত্রত্ধ লক্ষ্মণ

এক অংশ চারি অংশ হইল! নারায়ণ লক্ষী মৃদ্তি সীতাদেবী বসেছেন বামে ববর্ণছত্্র ধরেছেন লক্ষ্মণ শ্রীরামে

চামর ঢুলান তারে ভরত-শত্রপ্ন। জোড়হাতে স্ব করে পবননন্দন এইবরূপে বৈকুষ্টে আছেন গদাধর হেনকালে: চলিল৷ নারদ মুনিবর বীণাযন্ত্র হাতে করি হরিগুণ গান। উত্তরিল! গিয়। মুনি প্রভূ-বিগ্যমান বূপ দেখি বিহবল নারদ চান ধীরে বসন তিতিল তার নয়নের নীরে হেন রূপ কেন ধরিলেন নারায়ণ ইহ] জিজ্ঞাসিব গিয়া যথা পঞ্চানন ভাবী ভূত বর্তমান শিব ভাল জানে কথ কহিব গিয়। মহেশের স্থানে এতেক ভাবিয়া যাত্র! করে মুনিবর। উত্তরিল। প্রথমেতে ব্রহ্মার গোচর বিধাতাকে লয়ে যান কৈলাসশিখরে | শিবকে বন্দিয়। পরে বন্দি হ্র্গারে

নিরখিয়া ছুই জনে তুষ্ট মহেশ্বর জিজ্ঞাসা করেন তবে তাদের গোচর কহ ব্রহ্মা, কহ হে নারদ তপোধন। দৌোহে আনন্দিত অদ্ দেখি কি কারণ বিরিঞ্চি বলেনঃ শুন দেব-ভোলানাথ দেখিতাম গোলোকে অপুর্ধব জগন্নাথ দেখিতাম পৃব্বেতে কেবল নারায়ণ চারি অংশ দেখিলাম কিসের কারণ ত্রহ্মাবাক্য শুনিয়। কহেন কৃত্তিবাস। সেইরূপ ইহকালে হইবে প্রকাশ

যে রূপে আছেন হরি গোলোক-ভিতর জন্ম নিতে আছে ষাটি সহস্র বসর রাবণ রাক্ষস হবে পৃথিবীমণ্ডলে তাহারে বধতে জন্ম লবেন ভূতলে দ্রশরথ-ঘরে জন্মিবেন চারিজন |

শ্রীরাম লক্ষ্মণ আর ভরত শত্রত্ব

এক অংশ নারায়ণ চারি অংশ হৈয়া। ভিন গর্ভে জন্মিবেন শুভক্ষণ পাইয়। জানকী সহিত রাম লইয়া লক্ষ্মণ পিতৃসত্য পালনার্থ যাইবেন বন সীত। উদ্ধারিবে রাম মারিয়া! রাবণ। লব কুশ নামে হবে সীতার নন্দন মনুষ্য-গো-হত্যা আদি যত পাপ করে। একবার রাম-নামে সর্ব পাপে তরে সংসার-সমুদ্র তার বৎস-পদ হয় মহাপাপী হৈয়া যদি রাম-নাম লয় হাসিয়া বলেন ত্রহ্মা, শুন ত্রিলোচন।

পৃথিবীতে হেন পাগী আছে কোন জন

ূর্টি বলেন, মম বাক্যে দেহ মন। মধ্যপথে মহাপাপী আছে একজন তারে গিয়া! রাম-নাম দেহ একবার তবে সে নিতান্ত মুক্ত হইবে সংসার

রামায়ণ

বিধাতা নারদ তার ভাবেন ছুজন পৃথিবীতে মহাপাগী আছে সে কেমন চ্যবন মুনির পুত্র নাম রত্বাকর। দস্তযবৃত্তি করে সেই বনের ভিতর বিরিঞি নারদ দ্োহে সন্ন্যাসী হইয়!। রত্বাকর কাছে দৌহে মিলিল আসিয়া বিধাতার মায় হৈল রত্বাকর প্রতি। সেই দিনে সেই পথে কারো নাহি গতি উচ্চবৃক্ষে চড়িয়৷ সে চতুদ্দিকে চায়। ব্রক্মা-নারদেরে পথে দেখিবারে পায় ভাবে মুনি রত্বাকর লুকাইয়। বনে সন্নাসী মারিয়া বস্ত্র লইব এক্ষণে বিধাতা নারদ সেই পথেতে যাইতে লোহার মুদগর তোলে ত্রহ্মারে বধিতে ব্রহ্মার মায়াতে তার মুদগর না চলে। মায়ায় মুরগির বদ্ধ তার করতলে

না পারে মারিতে দম্ত্য ভাবে মনে মন। ব্রহ্মা জিজ্জাসেন, বাপু তুমি কোন্‌ জন রত্বাকর বলে, তুমি না চিন আমারে লইব তোমার বজ্র মারিয়! তোমারে ব্র্ম। বলে, মোরে মারি কত পাবে ধন। করিয়াছ যত পাঁপ কহিব এখন

শত শক্র মারিলে যতেক পাপ হয়। এক গে! বধিলে তত পাপের উদয় এক শত ধেনু বধ যেই জন করে।

তত পাঁপ হয় যদি এক নারী মারে একশত নারী হত্যা করে যেই জন। তত পাপ হয় এক মারিলে ব্রাহ্মণ একশত ব্রহ্মবধে যত পাপ হয়।

এক ব্রহ্মচারী বধে তত পাপ হয় ব্রহ্মচারী মারিলে পাতক হয় রাশি। সংখ্যা নাই কত পাপ মারিলে সন্ন্যাসী

আদিকাণ্ড

যেই পথ দিয়! গতি করেন সন্ন্যাসী আড়ে দীর্ঘে চারি ক্রোশ সম পুরী কাশী সে পাপ করিতে যদি তব থাকে মন। করহ এসব পাপ কহিম্থ এখন

শুনিয়া কহিল দস্যু রত্বাকর হাঁসি মারিয়াছি তোম৷ হেন কতেক সন্যাসী | ব্রহ্মা বলিলেন, যদি না ছাড়িবে মোরে। ভাল স্থল দেখিয়া হে বধহ আমারে যথ। কীট পতঙ্গাদি পিগীলিক। গন্ধে লোভে না আইসে মুত খাইতে আনন্দে মারিয়! দণ্ডের বাড়ি পাড়িব! ভূমিতে পিপীলিকা মরিবেক আমার চাপেতে পুনঃ বলিলেন, পাপ কর কার লাগি। তোমার পাতকের কেহ আছে ভাগী॥ মুনি বলে, আমি যত লয়ে যাই ধন। মাতা পিতা পত্বী আমি খাই চারিজন যেবা কিছু বেচি কিনি খাই চার জনে আমার পাপের ভাগী সকলে এক্ষণে শুনিয়া! হাসিয়া ব্রহ্মা কহিলেন তবে। তোমার পাপের ভাগী তার কেন হবে। করিয়াছ যত পাপ আপনার কায়। আপনি করিলে পাপ আপনার দায় জিজ্ঞাস। করিয়া তুমি আইস নিশ্চয়। তোমার পাঁপের ভাগী তার যদি হয় নিতান্ত আমারে বধ কর তবে তুমি।

এই বৃক্ষতলেতে বসিয়া থাকি আমি হরিষ-বিষাদে মুনি লাগিল ভাবিতে বলে, বুঝি এই যুক্তি কর পলাইতে ব্রহ্মা বলে, সত্য করি না পালাব আমি মাতাকে পিতাকে শুধাইয়া আইস তুমি অতঃপর যায় মুনি ফিরি ফিরি চায়। ভাবে বুঝি ভাড়াইয়া সন্ন্যাসী পলায়

প্রথমে পিতার কাছে করে নিবেদন আদিকাণ্ড গান কৃত্তিবাস বিচক্ষণ

রামনামে বুত্বাকরের পাপক্ষয় মাচুষ মারিয়া আমি আনি যত ধন। মম পাপভাগী তুমি হও এক জন পুজের বচন শুনি কুপিল চ্যবন। হেন কথা তোমায় বলিল কোন্‌ জন কোন্‌ শাস্ত্রে শুনিয়াছ, কে কহে তোমারে পুজ যদি পাঁপ করে লাগিবে পিতারে অজ্ঞান বালক তোরে কি কহিব কথা কতু পিতা পুক্র হয়, পুর হয় পিতা যখন বালক ছিলে, পিতা ছিন্ন আমি এখন বালক আমি, পিতা হৈলে তৃমি যখন বালক ছিলা, ন। ছিল যৌবন। বহু ছুঃখ করি তব করেছি পালন যত করিয়াছি পাপ আপনি সংসারে | সে-সব পাপের ভাগ না লাগে তোমারে এবে পিতা হইয়াছ, পুজ্রতুল্য আমি কোন রূপে আমারে পুষিবে নিত্য তৃমি মনুষ্য মারিতে তোমা বলে কোন্‌ জন। তোমার পাপের ভাগী হব কি কারণ শুনিয়া বাপের বাক্য হেটমাথা করে। কান্দিতে কান্দিতে কহে মায়ের গোচরে সত্য করি আমারে গো কহিবা। জননী আমার পাপের ভাগী হইব আপনি জননী কহিছে ত্রুদ্ধা হইয়া অপার এক দিবসের ধার কে শোধে আমার দশ মাস গর্ভে ধরি পুষেছি তোমায়। তব কৃত পাপ পুর না লাগে আমায় শুনিয়া মায়ের বাক্য মাথা হেট কৈল। পত্ীর নিকট গিয়া! সকল কহিল

জিজ্ঞাষ্ট্রি তোমারে প্রিয়ে সত্য করি কও। আমার গ্রাপের ভাগ হও কি না হও শুনিয়া স্বামীর বাক্য কহিছে রমণী নিবেদন করি প্রভু শুন গুণমণি

বিধাতা করেছে মোরে অদ্ধাঙ্ষের ভারী অন্ত পাপ নিতে পারি, এই পাপ নারি যখন করিল! তুমি আমারে গ্রহণ।

সর্ববদ1 করিবা মম রক্ষণ পোষণ

আর যত পাপপুণ্য ভাগ লাগে মোরে।

পোষণার্ধে পাপ-ভাগ না লাগে আমারে

মনুষ্য মারিতে কেব। বলিল তোমায় এইমাজ জানি তুমি পাজিবা আমায় শুনিয়া ভার্ধ্যার কথ রত়াকর ডরে। কেমনে তরিব আমি পাপসাগরে ডুবিন্ধ পাপেতে, মম কি হইবে গতি কান্দিতে লাগিল মুনি স্মরিয়। হুষ্ৃতি লোহার মুদ্গর মুনি মাথায় মারিয়া পড়িল ভূমিতে মুনি অচেতন হৈয়া উঠিয়। মুনির পুজ ভাবিল অন্তরে সেই মহাজন যদি মোরে কৃপা করে ইহ! ভাবি উভয়ের সন্গিধানে গিয়া কহিল ব্রহ্মার পায় দণ্ডবৎ হৈয়া একে একে জিজ্ঞাসিন্থ আমি সবাকারে মম পাপভাগী কেহ নাহিক সংসারে আপনি করিয়। কুপা দিল। দিব্যজান এ-সকল পাপে কিসে হব পরিত্রাণ কহিলেন পিতামহ মুনির কুমারে | তুমি স্নান করিয়া আইস সরোবরে শুনিয়া চলিল মুনি সরোবর-পাড়ে। তার দৃষ্টিমাত্র জল ভন্ম হৈয়া উড়ে

আসত সস ব্যকতর অনীরপ বশত পপি

ঝবাষায়ণ রর

আছিল অগাধজল এই সরোবর

মম দৃষ্টিমাত্রে জল হইল অস্তর শুনিয়া কহেন ত্রক্ষ। সঙ্গী তপোধনে হইয়াছে পূর্ণ পাপ তরিবে কেমনে কমগুলু-জল ছিল দিলেন মাথায় মহামন্ত্র মুনি তারে কহিবারে যায় নিকটে আসিয়া ব্রহ্মা কহে তার কর্ণে। একবার রামনাম বল রে বদনে॥

পাপে জড় জিহবা রাম বলিতে ন। পারে কহিল আমার মুখে ও-কথা না স্ফুরে শুনিয়। ব্রহ্মার বড় চিস্ত। হৈল মনে। উচ্চারিবে রামনাম এ-মুখে কেমনে »কর করিলে অগ্রে, রা করিলে শেষে তবে বা পাপীর মুখে রামনাম আসে ব্রক্মা বলিলেন, তবে উপায় চিক্তিয়া | মনুষ্য মারিলে বাপু ডাক কি বলিয়া শুনিয়। ব্রহ্মার কথা বলে রত্বাকর। মৃত মন্ুষ্যেরে মড়। বলে সব নর

মড়া নয় মরা বলি জপ অবিশ্রাম তবে মুখে তখনি স্ফুরিবে রামনাম শুফকান্ঠ দেখিলেন বৃক্ষের উপরে অঙ্গুলি বাড়ায়ে ব্রহ্মা দেখান তাহারে বহুক্ষণে রত্বাকর করি অন্ুমান।

বলিল অনেক কষ্টে মরা কান্ঠখান মরা মরা বলিতে আইল রামনাম পাইল সকল পাপে মুনি পরিত্রাণ তুলারাশি যেমন অগ্রনিতে ভস্ম হয়। একবার রামনামে সর্বপাঁপ ক্ষয় নামের মহিম। দেখি ব্রঙ্গার তরাস। আদিকাওড গাহেন পণ্ডিত কৃত্তিবাস

ওত ভরত |

দেবষি নারদ

ব্রহ্মা কতৃক রত্বাকরের বাল্মীকি নাম রামায়ণ বচনা-করণের বর দান বিশ্বত্স্টা নারদেরে কহেন বচন

যে কহিল মিথ্যা! নহে শিবের বচন রামনাম ক্রন্মা-স্থানে পেয়ে রত্বাকর |

সেই নাম জণে ক্কুুটি হাজার বৎসর এক নাম জপে একস্থানে একাসনে | সর্ধবাঙ্গ খাইল বলীকের কীটগণে মাংস খাইয়া পিগ্ড করিল সোঁসর হইল কণ্টক-কুশ তাহার উপর খাইল সকল মাংস অস্থিমাত্র থাকে বল্পীকের মধ্যে মুনি রামনাম ডাকে ব্রহ্মার মুহূর্ত ষাটি হাজার বৎসর | পুনঃ আইলেন ব্রহ্মা যথা! মুনিবর সেখানে আসিয়। ব্রহ্মা চতুদ্দিকে চায়। মনুষ্য নাহিক কিন্ত রামনামময় রামনীম শুনে মাত্র পিণ্ডের ভিতর। জানিল ইহার মধ্যে আছে মুনিবর আজ্ঞা করিলেন ব্রহ্মা ডাকি পুরন্দরে। সাতদিন বৃষ্টি কর পিণ্ডের উপরে বৃষ্টিতে মৃত্তিকা গেল গলিয়া সকল কেবল দেখিল অস্থি আছে অবিকল স্বপ্টিকর্তী করিলেন তাহারে আহ্বান পাইয়। চৈতন্য মুনি উঠিয়া ধ্াড়ান ব্রহ্মারে কহিল মুনি করিয়া প্রণাম মোরে মুক্ত কৈলে তুমি দিয়। রামনাম ব্রহ্মা বলে তব নাম রত্বাকর ছিল। আজি হৈতে তব নাম বাল্ীকি হইল বল্ীকেতে ছিল। যেই সেই বিধান সাত কাণ্ড কর গিয়। রামের পুরাণ॥ যেই রামনাম হৈতে হইল। পবিত্র সেই গ্রন্থ রচ গিয়া রামের চরিত্র

আদিকাণ্ড জোড়হাতে বলে মুনি ব্রঙ্গা-বিদ্কমান |

কেমনে হইবে গ্রন্থ কেমন পুরাণ কেমন কবিতা ছন্দ আমি নাহি জানি।

শুনিয়া বিধাতা! তারে কহিছেন বাণী

সরস্বতী রহিবেন তোমার জিহ্বাতে | হইবে কবিতারাশি তোমার যুখেতে শ্লোকছন্দে পুরাণ করিবে তুমি যাহা জন্দিয়া শ্রীরামচন্দ্র করিবেন তাহ। এত বলি ব্রহ্মা গেলা আপন ভবন আদিকাণ্ড গান কৃত্তিবাস বিচক্ষণ

নারদ কর্তৃক বাল্ীকিকে বামায়ণের আভাস প্রকাশ

একদিন সে বাল্সীকি সরোবরকুলে | রামনাম জপেন বসিয়। বৃক্ষমূলে

ক্রৌঞ্চ ক্রৌন্ধী বসিয়া আছিল বৃক্ষডালে। এক ব্যাধ পক্ষী বিদ্ধিলেক নলে বিদ্ধিলেক ব্যাধ পক্ষী প্রেমালাপ-কালে। ছটফট করি পড়ে বাল্ীকির কোলে রামে স্মরি বলে মুনি কানে দিয়া হাত জীবহত্য। কৈলি পাপী আমার সাক্ষাৎ বিনা অপরাধে হিংসা কর পক্ষীজাতি। বুঝিলাম তোমার নরকে হবে স্থিতি এতেক বলিয়া যুনি শাপ দিল তাঁকে সেই শোকে এক শ্লোক নিঃসরিল মুখে শোক হইতে শ্লোকের হইল উপাদান “মা নিষাদ" বলিয়া তাহার উপাখ্যান চারি পদ ছন্দ মুনি লিখিলেন পাতে আপনি লিখিয়া মূল না পারে বুঝিতে ভরদ্বাজ-সন্নিধানে করিল। গমন গুরুশিষ্য বসিয়! আছেন ছুইজন

ব্রন্মা পাঠাইয় দিলা তথ! নারদেরে | বাল্সীকিরে উপদেশ করিবার তরে

যেখানে বাল্পীকি মুনি ভাবেন বসিয়া! সেখানে নারদধুনি উত্তরিল গিয়া নারদে দেখিয়া মুনি সন্ত্রমে উঠিল দণ্ডবং করিয়া আসন তারে দিল সেই শ্লোক শুনাইল মুনি নারদেরে নারদ করিয়া অর্থ বুঝাইল তারে এই শ্লোকছন্দে তুমি কর রামায়ণ উপদেশ কহি জানি তুমি সে ভাজন সুধ্যবংশে দশরথ হবে নরপতি

রাবণ বধিতে জন্মিবেন লক্ষ্মীপতি শ্রীরাম লক্ষ্মণ আর ভরত শক্রত্ব তিন গর্ভে জন্মিবেন এই চারিজন সীতাদেবী জন্মিবেন জনকের ঘরে ধনূর্ভঙ্গ পণে তার বিবাহ তৎপরে পিতার আজ্ঞায় রাম যাইবেন বন সঙ্গেতে যাবেন তার জানকী লক্ষ্মণ সীতারে হরিয়। লবে লঙ্কার রাবণ স্থগ্রীব সহিত রাম করিবে মিলন বালিকে মারিয়। তারে দিবে রাজ্যভার স্থগ্রীব করিয়। দিবে সীতার উদ্ধার দশ যুণ্ড বিশ হাত মারিয়। রাবণ অযোধ্যায় রাজা হইবেন নারায়ণ কহিবেন অগস্ত্য রাবণ-দিখিজয়। পুনরপি সীতাকে বজ্জিবে মহাশয় পঞ্চমাস গর্ভবতী সীতারে গোপনে লক্ষ্মণ রাখিবে তারে তব তপোবনে কুশ লব নামে হবে সীতার নন্দন উভয়ে শিখাবে তুমি বেদ রামায়ণ এগার সহজ বসর পালিবেন ক্ষিতি। পুজে রাজ্য দিয়? স্বর্গ করিবেন গতি জন্ম হৈতে কহিলাম স্বর্গ আরোহণ জন্মিয়া করিবেন ইহ? প্রভূ নারায়ণ

কবামায়ণ

এত বলি নারদ গেলেন স্বর্গবাস আদিকাগণ্ড গাইলেন কবি কৃত্তিবাস

চন্দ্রবংশের উপাধ্যান

সাগর মন্থনে চন্দ্র হইল উৎপন্ন হইল চন্দ্রের পুক্র বুধ অতি ধন্য পুরুশুচ নামে হৈল তাহার নন্দন তার পুজ শতাবর্ত জানে সব্বজন স্বর্গ নামে তাহার হইল এক স্থত। হইল তাহার পুজ শ্বেত-নাম-যুত নামেতে হইল নিমি তাহার নন্দন নিমিকে প্রশংসা করে যত দেবগণ সকলে মিলিয়া ভার মথিল শরীর তাহাতে জন্মিল পুর মিথি নামে বীর সেই বসাইল এই মিথিলানগর | বীরধ্বজ কুশধ্বজ তাহার কোঙর স্থষ্টি স্থজন করিয়াছে মুনিবরে কহিল লক্ষ্মীর জন্ম জনকের ঘরে কৃত্তিবাস পণ্ডিতের কবিত্ব সুন্দর চন্দ্রবংশ রচন। করেন কবিবর

সুর্ধযবংশের উপাখ্যান মান্ধাতার জন্ম

আদি পুরুষের নাম হৈল নিরপ্তন ব্রহ্ম! বিষণ মহেশ্বর পুত্র তিন জন তিন পুক্র হইল, তনয়! এক জানি। সকলে তাহার নাম রাখিল নন্দিনী জরৎকারু-মুনি-পুজে সে নারদ আনি তাহারে বিবাহ দিল কন্দিনী ভগিনী সবে গায়, বাঞ্জায় নারদ মুনি বেণু। তাহাতে জন্মিল কন্যা নাম হৈল ভানু তাহারে বিবাহ দিল জামদগ্ন্য বরে। এক অংশে বিষ্ুণ জন্মিলেন তার ঘরে

ব্রচ্মার কাছেতে তেহ বর যে'মাগিল। মরীচ নামেতে তবে পুজ জনমিল মরীচের নন্দন কশ্যপ নাম ধরে।

তার পুত্র স্ুধ্য ইহা বিদিত সংসারে সুর্যোর হইল পুজ্র মনু নাম তার। স্ষেণ তাহার পুজ রূপে চমৎকার প্রসন্ন তাহার পুজ্র অতি সে সুঠাম হইল তাহার পুক্র যুবনাশ্ব নাম যুবনাশ্ব হৈল রাজ অযোধ্যানগরে বিবাহ করিতে গেল কন্দকের ঘরে কালনিমি নামে কন্ত। কন্দক রাজার বিবাহ করিল যুবনাশ্ব গুণাধার বিবাহ করিল মাত্র, সম্তাষ না করে। লজ্জ1 ঘুচাইয়! কন্যা বলিল বাপেরে বিশেষ জানিয়া সে কন্দক মহীপতি অভিশাপ করিলেক জামাতার প্রতি তপস্যা! করিয়া! যবে আইল ভূপতি। প্রণতি করিয়! দ্বিজে মাগিল সম্ভতি আশীর্বাদ কর মম হউক নন্দন শুনিয়। ঈষৎ হাসি কহে দ্বিজগণ এক যুক্তি কর রাজা যদি লয় মন। যজ্ঞ কর তবে তব হইবে নন্দন নুপতি মরিল যবে পেয়ে মৃত্যুব্যথা জন্মিল তাহার পুজ নামেতে মান্ধাতা অযোধ্যানগরে রাজ হইল মান্ধাতা সপ্তদ্বীপ-অধিপতি পুণ্যশীল দাতা কৃত্তিবাস পণ্ডিতের কবিত্ব স্থগান আদিকাণ্ডে গান মান্ধাতার উপাখ্যান

স্র্থযবংশ নির্ববংশ এবং অযোধ্যায় হারীতের রাজা হওন বৃত্তাস্ত

মান্ধাতার তনয় হইল যুচুকুন্দ সমর পাইলে তার হৃদয়ে আনন্দ

তাহার তনয় নামে পৃথু নরবর

ধার রথচক্রে ছয় হইল সাগর

তার পুভ্র হইল ইক্ষাকু নরপতি। বশিষ্ঠ-নারদ কৈল রথের সারথি শতাবর্ত নামে তার হইল কুমার আধ্যাবর্ত নামে পুক্র হইল তাহার ভরত তাহার পুত্র অতি বলবান। ধাহা হৈতে উপজিল ভারত পুরাণ জন্মিল তাহার পুজ্র নামেতে ভূধর খাণ্ড নামে তার পুজ্র অতি ধনুদ্ধর খাণ্ডের হইল পুজ্র দণ্ড নাম ধরে। প্রজার উপরে নাঁন। অত্যাচার করে সব প্রজী কহিলেন রাজার গোচর তব পুত্র হেতু ছাড়ি অযোধ্যানগর কথা শুনিয়। খাণ্ড বিষাদিত মন। পুজের বিবাহ রাজ। দিল ততক্ষণ পরে পাঠাইল রাজা দণ্ডকে কাননে প্রবেশ করিল দণ্ড সেই মহাবনে কানন মধ্যেতে গিয়া দণ্ড বৃপবর | বসাইল দণ্ডারণ্য বলিয়া নগর তাহাতে বসতি করে শুক্র মুনিবর। পড়িবারে দণ্ড নিত্য যায় তার ঘর একদিন শুক্র গেল তপস্যা করিতে হেনকালে দণ্ড রাজা গেলেন পড়িতে শুক্রকন্যা অজ্জা যায় পুষ্প আহরণে। দণ্ড তাঁরে বলে মোরে তোষ উদ্বাহনে অজ! বলে শুন রাজা কহি তব ঠাই। পিতৃশিষ্য তুমি সম্বন্ধে হও ভাই বিবাহ করিতে যদি লয় তব মন পিতৃ-বিদ্ধমানে তবে কর নিবেদন রাজ বলে কথায় স্থির নহে প্রাণ ইহা? বলি তাহারে করিল অপমান

এই কথা শুনিয়।৷ কপিল মুনিবর। দণ্ডক বলিয়া খুনি ডাকিল সত্বর

পুঁথিককাথে করি দণ্ডক আসে পড়িবারে

দেখিয়া কুপিয়া মুনি কহিল তাহারে পড়াইয়া তোমারে যে দিয়াছি চেতন তাহার দক্ষিণা ভাল দিলে হে এখন এমত কুপুজ যার জনমে বংশেতে নিব্বংশ হউক খাণ্ড রাজ। দোষেতে কোপদৃষ্টে চাহিল তখন মহাখষি। রাজ্যসুদ্ধ হইল সে দণ্ড ভন্মরাশি অযোধ্যাতে দণ্ড রাজা ত্যজিল জীবন নির্ধংশ হইল স্ধ্যবংশের রাজন অযোধ্যাতে হৈল রাজ। বশিল্ঠ ব্রাহ্মণ পুক্দের সমান করি পালে প্রজাগণ মুনি বলে জপ তপ সব নষ্ট হৈল। মিছ। রাজ্য করি মম জন্ম গোঙাইল ধ্যান করি জানিলেন বশিষ্ঠ ব্রাহ্মণ হইবে অক্জার এক উত্তম নন্দন

ধ্যানে জানি বশিষ্ঠ কহেন শুক্র প্রতি শীঘ্র পাঠাইয়া দেহ রাজ! হবে নাতি তথ্য জানি শুক্রমুনি হৈল হৃষ্ট মন। কন্তা পাঠাইবার সঙ্জ। করিল তখন অজাকে পাঠান শুক্র অযোধ্যানগর | অক্জার হইল এক অপুর্ব কোঙর বশিষ্ঠ রাখিল! তার নাম যে হারীত | মুনি তারে আশিস্‌ করিল যখোচিত দিনে দিনে বারে শিশু যেন শশধর ছয় মাস মধ্যে অন্ন দিল মুনিবর

এক বৎসরের হৈল রাজার কুমার বসাইল নিয়। সিংহাসনের উপর কৃত্তিবাস পণ্ডিতের কবিত্ব সুঠাম। আদিকাণ্ডে গান্ছেন দণ্ডক-উপাখ্যান

রাজা হরিশ্ন্দ্রের উপাখ্যান

হারীতের পুত্র হরিবীজ নাম ধরে। বসতি করিল সেই অযোধ্যানগরে প্রবল প্রতাপে হরি রাজ রাজ্য করে। তার পুঞ্প হরিশ্চন্দ্র খ্যাত চরাচরে হরিশ্চন্দে সমর্পণ করি সর্ধধদেশ স্বরূপ গঙ্গাতে গিয়া করিল প্রবেশ পিতৃমৃত্যু পরে হরিশ্চন্দ্র হৈল রাজ। পুজের সমান পালে পৃথিবীর প্রজা সোমদত্তরাঁজ কন্যা তার নাম শৈব্য। বিবাহ করিল হরিশ্চন্দ্র অতি ভব্যা সুন্দরী পাইয়া জায় অন্তরে উল্লাস। তাহার হইল পুজ নামে রুহিদাস সুখে রাজ্য করে হরিশ্চন্দ্র মহীপতি। ইন্ডদ্রেরে লইয়। কিছু শুনহ সম্প্রতি একদিন সভাতে বিল স্ুরপতি পঞ্চকন্তা নৃত্য করে প্রথম-যুবতী নাচিতে নাচিতে অতি বাড়ি গেল রঙ্গ একবার করিলেক তার। তাল ভঙ্গ দেখিয়া করিল কোপ দেব পুরন্দর অভিশাপ দিল পঞ্চকন্যার উপর যৌবন-গর্ধিতা তোর। হয়েছিস্‌ মনে বন্ধ হইয়া থাক্‌ বিশ্বামিত্র-তপোবনে চরণে ধরিয়া কন্যা করেন ক্রন্দন কতকালে হবে বল পাপ বিমোচন ইন্দ্র বলে, বন্দীরূপে থাক তপোবনে যুক্ত হবে রাজ! হরিশ্চন্দ্র-দরশনে নিত্য সে রূপসী পুষ্প করে আহরণ ডাল ভাঙ্গে ফুল তোলে, কে করে বারণ শিষ্যসহ বিশ্বামিজ্র গেল তপোবনে। ডাল-ভাঙ্গ। গাছ সব দেখিল নয়নে

সপ্ত

লা

০০

++ এক

কর ছু চুসছত শি & 8.১

ঠা ৫.৫ [লে ৮৮ গং, 445 ডেকা লা

স্থ

পক উপল সর সিনে

চন 1,587 শত

এর,

ত্র সখ তে সিন ধু

৪৮ রং / ০১: নি

টি

পন বাশ 8 তা শা “এ টানে শর ০২ )%। খটকা নিন

চী পৃ দি

সু

টি ০০

18 8০ ৮187 হস খাড়া টিলেত সে 3

৪০,

০৫০

নিক ?

রা

সারে

ত-অন্ত

রী বৃ $

)

পেথ নু অন্ম

1 ব্ম্ম

এমন করিয়। ডাল ভাঙ্গে যেই জন। আইলে লাগিবে কালি লতার বন্ধন এত বলি শাপ তারে দিল মুনিবরে প্রভাতে আইল কন্া। পুষ্প তুলিবারে যেই কালে কন্তা আসি ডালে ভর দিল। লতার বন্ধন হাতে অমনি লাগিল প্রভাতে আসিয়। বিশ্বামিত্র তপোবনে কন্যা দেখি ভাবিতে লাগিল হৃষ্টমনে অনেক প্রকারে তারে করিয়া ভ্সন। থাস্থানে মুনিবর করিল গমন ।॥ হতেনকালে তথা হুরিশ্চন্দ্র বশোধন মুগয়। করিতে করিলেন আগমন মুগ না পাইয়া অতি ব্যাকুলিত মন ক্লান্ত হন নানা স্থান করিয়া ভ্রমণ মনস্তাপ পাইয়া বসিল তরুতলে কন্যা ডাকে উচ্চৈংন্বরে হরিশ্চন্দ্র বালে সন্ধান করিয়। রাজা গেল তপোবনে স্পর্শমাত্র যুক্ত হয়ে গেল পঞ্চজনে আশ্চধ্য দেখিয়া হরিশ্চন্দ্র যশোধন। সৈন্যসহ নিজ রাজো করিল গমন প্রাতঃকালে আইলেন গাধির নন্দন কন্তারে না দেখি ছুঃখিত হইল মন আমি যে বান্ধিনু ছাড়াইল কোন্‌ জন। সর্বনাশ হইল তার সংশয় জীবন ধ্যান করি জানিলেন গাধির নন্দন হরিশ্চন্দ্র ছাড়াইয়া দিল কন্যাগণ মুনি ক্রোধ করিয়া যে চলিল সত্বর। উর্তরিল গিয়। মুনি রাজার গোচর মুনিরে দেখিয়া রাজ। কৈল অভ্যর্থন। এস এস বলি দিল বসিতে আসন সফল ভবন মোর, সফল জীবন মোর গৃহে আইল যে গাধির নন্দন

আদিকাগ্ড

জ্বলস্ত অনল যেন বলে তপোধন

যে কন্ঠা বান্ধিন্থ তারে ছাড় কি কারণ রাজা কহে কন্তা মোরে কৈল আমন্ত্রণ মিথ্য। না বলিব প্রভূ করেছি মোচন দাঁন পুণ্য করি প্রভূ তুষি যে ত্রাহ্মণ। আমা প্রতি ক্রোধ কেন কর অকারণ কথ শুনিয়া কহে গাধির কুমার দান পুণ্য কর বলে কর অহঙ্কার

কি দান করিবা তুমি দেখি তব মন।

আমারে কিঞ্চিৎ দান দেহ রাজন রাজা বলে, গৃহধশ্ম সফল জীবন

মোর দান লবে প্র গাধির নন্দন যাহ] চাহ তাহ দিব না করিব আন। নানা দানে গোসাঞ্জি রাখিব তব মান মুনি বলে, দান দেহ যদ্যপি রাজন আগেতে করহ তুমি সত্য নির্ধবন্ধন রাজ। বলে, সত্য সত্য, না করিব আন সত্য লভ্ঘিলে নাহি পাব পরিত্রাণ ভূপতি করিল সত্য, ন1 বুঝিল ছাদ মুগ বন্দী হৈল যেন না বুঝিয়া ফাদ মুনি বলে, দেখহ সকল দেবগণ।

রাজ। করিবেন নিজ সত্যের পালন মুনি বলে দিবা যদ্দি করেছ অন্তরে | রাজন্‌ পৃথিবী দান করহ আমাবে দানের করিল রাজা অতি পরিপাটা। হাতে করি আনিলেন তিন তোল মাটি ভুদান করিল হরিশ্ন্দ্র শ্রদ্ধাযুত |

স্বস্তি স্বস্তি বলিয়া লইল গাধি মৃত মুনি বলে, দিলা দান পাইন্থু এখন দানের দক্ষিণ। রাজা আনহ কাঞ্চন রাজ! বলে, দক্ষিণাতে না করিহ ঘ্বুণা দানের দক্ষিণা দিব সাত কোটি সোনা

১০

মুনি বলে, বিলম্বে নাহিক প্রয়োজন সাত কোটি কাঞ্চন করহ সমর্পন ভূপতি করেন আজ্ঞা ভাগ্তারীর প্রতি আমারে আনিয়া দেহ ন্বর্ণ শীঘ্রগতি দু করি বলে মুনি গাধির কুমার ভাগারী উপর তব কিবা অধিকার সকল পৃথিবী দান করিল! আমারে ভাগ্ারী কাহার ধন দিবেক তোমারে শুনিয়া ভাবিত রাজা ছাড়িল নিশ্বাস আপনা আপনি করিলাম সব্বনাশ মুনি বলে, ভূপতি মজিলে অহস্কারে পৃথিবী ছাড়িয়া বেট। যাহ স্থানান্তরে পাত্র মিত্র সবে বলে করি জোড়পাণি। হরিশ্চন্দ্র ভূপে দিতে পটি একখানি স্ুচ্যগ্র খননে যত উঠে বন্থুমতী উহাকে ন! দেয় বিশ্বামিত্র মহামতি পাত্র মিত্র বলে শুন গাধির তনয়। কোথায় বসিবে হরিশ্ন্দ্র নিরাশ্রয় এত শুনি ক্রোধ করি বলে মহাখষে। পৃথিবীর বহির্ভাগে আছে বারাণসী শৈব্যা নারী আর নিজ পুজ রুহিদাস। তিন জন যাউক করিতে কাশীবাস বিশ্বমিত্র বাক্য শুনি স্ধাযবংশধন